গত ১৬ জানুয়ারি পৌরসভা নির্বাচনে দ্বীতিয় ধাপে কুষ্টিয়া পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে পুনরায় মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন নৌকার প্রার্থী আনোয়ার আলী এবং পৌরসভার ২১জন পুরুষ কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।এবারের পৌরসভা নির্বাচনে বেশ কিছু নতুন মুখ কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন।এর মধ্যে বেশ কিছু নবীন।নবীনদের মাঝে অন্যতম জনপ্রিয় মুখ এইচ এম তানভীর নোবেল।এবারের পৌর নির্বাচনে কুষ্টিয়া পৌরসভা ০৭ নং ওয়ার্ড থেকে দুই হেভিওয়েট প্রার্থী কে পরাজিত করে ব্রীজ প্রতিকে ৮১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন এইচ এম তানভীর নোবেল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক পানির বোতল প্রতিকে পান ৭৬৮ ভোট ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর পিয়ার আালি জোমারত টেবিল ল্যাম্প প্রতিকে পান ৬৭৮ ভোট। ইতিমধ্যে নির্বাচনের ফল প্রকাশের ১২ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে।জনপ্রিয়তা ও জনগনের ভোটে বিজয়ী না হতে পেরে নীলনকশায় লিপ্ত হয়েছেন মালেক ও জোমারত।গতকাল ২৭ শে জানুয়ারি মালেক ও জোমারত স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্র তারা জেলা রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুৎফুর রহমান এর দপ্তরে জমা দিয়েছেন। যেখানে তারা উল্লেখ করেছেন ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডং অফিসার, পোলিং অফিসার ও এজেন্টের যোগসাজশে ভোট কারচুপি হয়েছে যার কারনে তারা পরাজিত হয়েছেন। তারা উল্লেখ করেছেন।প্রিজাইডিং অফিসার কাউন্সিলর প্রাথীর ফলাফল শীট টাঙ্গিয়ে দিয়ে কেন্দ্র ত্যাগ করেছেন।উপরিউক্ত এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বি বি সি ক্রাইম নিউজ কুষ্টিয়া টিম আজ সরজমিনে কুষ্টিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে হাজির হন।যেখানে এলাকার জনসাধারণের সাথে অভিযোগের বিষয় টি নিয়ে কথা হয় সাংবাদিক টিমের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু মানুষ জানান নির্বাচনে জনগন চাই নি বলে তারা(অভিযোগকারীদ্বয়) নির্বাচিত হতে পারেনি।জনগন যাকে চেয়েছে আর যাকে ভোট প্রদান করেছে সেইই কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। ফলাফল শীট না টাঙ্গিয়ে প্রিজাইডিং অফিসার কেন্দ্র ত্যাগ করেছেন?এ প্রশ্নের জবাবে উপস্থিত সাধারণ মানুষের একাংশ বলেন নির্বাচনের কেন্দের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার ও অন্যান্যরা নির্বাচনের ফলাফলের তালিকা নির্বাচন শেষে কেন্দ্রের বাইরে দেয়ালে টাঙ্গিয়ে দিয়ে গেছে।এ অভিযোগ মিথ্যাচার করা ছাড়া আর কিছুই করার নাই।সেই সময়ে তারা তাদের কাছে সংরক্ষিত দেয়ালে টাঙ্গানো ফলাফল শীটে বেশ কিছু ছবি বি বি সি ক্রাইম নিউজ কুষ্টিয়াকে দেখান।উপস্তিত জনগনের একাংশ আরো বলেন যারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তারা(অভিযোগকারী) জনবিচ্ছিন্ন হতে চলেছেন। তাদের উচিত জনগনের রায় মেনে নিয়ে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য নিজেদের কে প্রস্তুত করা। আগামী ৫বছরে তারা যদি সুখে, দুঃখে, বিপদে আপদে জনগনের পাঢ়ে থাকে তাহলে আগামী নির্বাচনে জনগন অবশ্যই তাদের পক্ষে ভোট দিবে।এবারের নির্বাচনে জনগন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে এবং নির্বাচন টি একটি উৎসবমুখর নির্বাচনে পরিনত হয়েছে।উপস্থিত সাধারণত জনগন আরো বলেন,গত ১০ বছর এর বেশি সময় ধরে নোবেল এলাকার সাধারণ জনগনের।